মান অভিমান ভুলে লাল-হলুদে থেকে গেলাম রঞ্জন চৌধুরী। আরো জানতে পড়ুন।

Published by BADGEB Admin on

Last Updated 5:38 PM 26th July 2020 .

রঞ্জন চৌধুরী ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কাছে এক ভরসার নাম। এক সময় টিএফএর সামলানো কোচ বিগত কয়েকবছর ধরে লাল-হলুদের ইয়াং ব্রিগেডের দায়িত্বে। তার উপস্থিতি এবং অভিজ্ঞতার উপরে ভর করে বিগত কয়েক বছরে ইস্টবেঙ্গলের বয়স-ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় পারফরম্যান্স বেশ নজরকাড়া।

তবে হটাৎ এই মরশুমে, ইস্টবেঙ্গলের এক প্লেয়ারের বয়স নিয়ে সমস্যা হওয়ায় সেই প্লেয়ারকে নির্বাসিত করে এএইএফএফ। তারপরে তার দায়ে গিয়ে পরে রঞ্জন বাবুর উপরে বলেই খবর। তাতেই অভিমানে তিনি সিদ্ধান্ত নেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়ার, একদিনের মধ্যে সে খবর প্রকাশ্যে চলে আসে। আশাহত হন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

তবে, আপাতত মান অভিমানের পর্ব শেষ। হয়তো আলোচনার মাধ্যমেই কর্মকর্তারা তার সাথে দূরত্ব মিটিয়ে নিলেন। এই ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে আজকে আমাদের পক্ষ থেকে, তিনি জানান ‘Yes. My father was hard core Eastbengalian. It’s my responsibility to maintain legacy and do my best for this TEMPLE. Now I will put my best efforts to produce potential Bengali players. Sokole Bhalo theko.’ তার থেকে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা যে নিশ্চিন্ত হলেন নিজেদের ভবিষৎ নিয়ে সেটা বলাই যায়।

এবার একটু অন্য বিষয় আসি, অনেকেই আমাদের পেজের ইনবক্সে প্রত্যেকদিন জানতে চাইছেন যে ইস্টবেঙ্গল বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমরা খবর করছিনা কেন, আমাদের তরফ থেকে আপডেট দেওয়া হটাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কি কারণে। তাই ভাবলাম এই পোস্টের শেষে এই বিষয়টা নিয়ে লিখে ফেলতে। ইস্টবেঙ্গলে সংক্রান্ত কোনো খবর থাকলে আমরা চেষ্টা করি সবার আগে সেটা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এবং ভবিষ্যতেও করবো। তবে, যদি কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনাই না ঘটে বা জানানোর কিছু না থাকে তাহলে রোজ রোজ সত্যিই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এক ব্যাপারে লেখা যায়না। মে মাসের প্রথম তারিখ থেকে সমর্থকদের অপেক্ষা শুরু হয়েছে, যে এনওসি সাত দিনে আসবে ধারণা করা হয়েছিল সেটা আসতে লাগলো পঁয়তাল্লিশ দিন, অনেকটা ক্ষতি হয়তো ওখানেই হয়ে গেছে ইস্টবেঙ্গলের। এখনো লাল-হলুদ কর্তারা ইনভেস্টর গ্রুপের সাথে কথা বললেও তিন মাস আগে যা অবস্থা ছিল, এখনো পরিস্থিতি একই আছে অর্থাৎ এখনো ইনভেস্টর ফাইনাল করা হয়নি। ইনভেস্টর ফাইনাল হওয়া একদিকে, অন্যদিকে প্লেয়ারদের অন্ত-রাজ্য ছাড়পত্রের ব্যবস্থা করা, ক্লাব লাইসেন্সিং পূর্ণ করা এবং সর্বোপরি এফসেডিএলের থেকে আইএসএল খেলার ছাড়পত্র জোগাড় করে। হাতে সময় খুব কম, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হবে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং কাজটা মোটেও সহজ না। সঠিক কোন খবর আমাদের কাছে এসে পৌঁছালে আমরা আপনাদের জানাতে থাকবো।


0 Comments

Leave a Reply

0 Shares
Copy link
Powered by Social Snap