শীঘ্রই আসছে এনওসি, লাল-হলুদের পাখির চোখ আইএসএল!

Published by BADGEB Admin on

প্রতিবেদনটি লেখার সময় লাল-হলুদ বাহিনীর হাতে এখনো এসে পৌঁছায়নি বহুপ্রতিক্ষিত এনওসি, যেটা পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে এক মাসেরও বেশি সময়, তবে তা এসে যাবে যেকোনো মুহূর্তেই।

হ্যাঁ, লাল-হলুদের পক্ষ থেকে চিঠি পৌঁছেছে কোয়েস দপ্তরে, বিপুল পরিমাণ আর্থিক চাহিদার পথ থেকে সরে এসেছে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এক প্রকার সময়ের অভাবেই তিন কোটির ও বেশি টাকা ছেড়ে দিতে হয়েছে লাল-হলুদ কর্তাদের যা ইস্টবেঙ্গলের প্রাপ্য ছিল কোয়েসের কাছ থেকে। আর তাতেই কোয়েসের যেন উদ্দেশ্য সফল হলো, তারা তো এটাই চেয়েছিল। অতঃপর, এনওসি চলে আসতে পারে আজ-কালের মধ্যেই। সেটা পাওয়ার সাথে সাথেই ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কোয়েসের দপ্তর চিঠি পৌঁছে যাবে ফেডারেশনের কাছেও, শেষ বারের জন্য তারা জানিয়ে দেবে যে তাদের সাথে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক বিচ্ছেদ সম্পূর্ণ হলো।

তবে, এত বড় একটা আর্থিক ক্ষতি মেনে নেওয়া দেখে একটা জিনিস কিন্তু পরিষ্কার, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা কোনোভাবেই আইএসএল খেলা বিসর্জন দিতে প্রস্তুত নয়। আর তাই, রাস্তার এক মাত্র কাঁটা, কোয়েসের হাত থেকে নিস্তার পেতে তারা সব মেনে নিল।

বাজারে অনেক খবর, চারদিকে নানান স্পন্সরের নাম শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছে আইটিসি, কেউ বলছে নেউটিয়া তো আবার কোনো সূত্র বলছে অন্য কোনো নাম। হয়তো এর মধ্যেই কোনোটা ঠিক, আবার একটাও ঠিক নাও হতে পারে। সঠিক উত্তরটা সময় দেবে, তবে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় নড়েচড়ে বসেছে ফেডারেশন। এফএসডিএলও চাইছে এটিকের পাশাপাশি বাংলা থেকে আরো একটা দলকে আইএসএলে প্রবেশাধিকার দিতে। এমনকি, আইএসএলের অন্য দলগুলোও চাইছে ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্ভুক্তি নিজেদের স্বার্থে এবং লীগের আকর্ষণ এবং গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য। তাই চারিদিকে এত পজিটিভিটির মধ্যেই আশার আলো খুঁজছে আপামর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

আপাতত তড়িঘড়ি এনওসি জোগাড় করে ক্লাব লাইসেন্সিং সম্পূর্ণ করাই লক্ষ ইস্টবেঙ্গলের। ততদিনে স্পন্সর হোক বা ইনভেস্টর, তাদের সাথে আলোচনা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই সবকিছু কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব যে এবারে আইএসএল খেলবে সেটা ধরে নেওয়াই যায়।


0 Comments

Leave a Reply

0 Shares
Copy link
Powered by Social Snap